আপনি অবশ্যই ফ্রীল্যান্সিং করতে পারবেন এবং আপনার সেই যোগ্যতাও আছে। ঠিক এজন্যই আপনার সফল ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ারের স্বপ্ন পূরণের পরিকল্পনায় “প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সারস” কোর্স।
যদি একটি সফল ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ার তাহলে শুরুটা সঠিকভাবে গুছিয়ে করা জরুরি। আর তাই আপনার দরকার একটা নির্ভরযোগ্য ও সঠিক গাইডলাইন সম্বলিত ফ্রীল্যান্সিং কোর্স। তাই ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ার প্রথম থেকে শুরু করতে এবং পরবর্তী প্রতিটি ধাপে “প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সারস” কোর্সটি নিশ্চিতভাবে আস্থার জায়গা যা বিশ্ব-দরবারে গড়ে দিবে সফল ফ্রীল্যান্সার হিসাবে পরিচিতি
আসসালামু আলাইকুম, আশা করি পরম করুনাময় আপনাদের সহায়ক আছেন।
আমি Md Wasim Firoz, TechnoTeams and WISDOM এর Founder and CEO হিসেবে দায়িত্বরত আছি। আজ আমি কথা বলবো আপনাদের সাথে আপনাদেরই একজন হয়ে —
আলহামদুল্লিলাহ, অনেক বছর সফলভাবে ফ্রীল্যান্সিং পেশায় থাকার পর এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপের যাত্রা শুরু করি। যখন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশুনা করি তখন থেকেই শুরু হয় আমার আইটি প্রতিষ্ঠান TechnoTeams এর পথ চলা। ১৩+ বছর সময় ধরে সফলভাবে দেশ এবং দেশের বাহিরের অনেক ক্লায়েন্টদেরকে আইটি বিষয়ক বিভিন্ন সার্ভিস, মার্কেটিং ও সেলস, ডিজিটাল মার্কেটিং, বিজনেস কনসাল্টেন্সি এবং বিজনেসের রেভিনিউ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সার্ভিস দিয়ে আসছি
অপরদিকে, আমার আরেকটি প্রতিষ্ঠান WISDOM- বর্তমানে ৫৬ হাজার বর্গমাইল জুড়ে সবার হাতে বই পৌঁছে দিয়ে অনলাইনে বই সেল করার একটি E-Commerce প্রতিষ্ঠান হিসেবে এগিয়ে চলছে
আজকে আপনাদেরকে পরিচয় করিয়ে দিবো ঘরে বসে এবং স্বাধীনভাবে নির্ভরযোগ্য আয়ের পথ – Freelancing এর সাথে।
আমার অনুরোধ রইলো, একটু ধর্য্য ধরে মাত্র ১০ মিনিট সময় দিয়ে এই পেজের সবটুকু পড়ার জন্য। ইন-শা-আল্লাহ, যারা ফ্রীল্যান্সিং পেশায় জড়িত আছেন বা ফ্রীল্যান্সিং শুরু করতে চাচ্ছেন, তাদের জন্য ফ্রীল্যান্সিং-এর উন্মুক্ত গ্লোবাল মার্কেটপ্লেসে এক স্বপ্নময় এবং সাফল্যের পথ চলা শুরু হবে
চলুন তাহলে শুরু করি –
মডেম আর মোবাইল সিমের ইন্টারনেট দিয়ে যেকোনো কাজ করা ছিলো যুদ্ধ করার মতো তারপরেও কখনো শেখার এবং কাজ করার ইচ্ছাটা কমে যায়নি। এমনকি তখন থেকেই আমার কম্পিউটার সায়েন্সে পড়ার ইচ্ছা জাগে। কম্পিউটার সায়েন্সে পড়া অবস্থায় ২০০৯ সালেই শুরু করি এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ যাত্রা এবং আমার বিজনেসের শুরু সেখান থেকেই। কিন্তু এর বেশ আগেই, ২০০৪ সালে অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে শুরু করেছিলাম আমার ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ার। আমি মনে প্রানে বিশ্বাস করি ফ্রীল্যান্সিং শুরু না করলে আমার এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপের যাত্রাটা হয়তো শুরুই হতনা। এমনকি ফ্রীল্যান্সিং করে শুধু আমি টাকাই ইনকাম করেছি ব্যাপারটা তা নয়। এর মাধ্যমে অর্জন করতে পেরেছি বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষতা। শুরু করেছি একাধিক বিজনেস, পরিচিত হয়েছি অপার সম্ভাবনাময় এক দুনিয়ার সাথে। বলতে পারি, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যা তৈরি হয়েছে তা হচ্ছে – অপ্রতিরুদ্ধ মাইন্ডসেট
যখন থেকে বিজনেস শুরু করেছি, নিজের প্রতিষ্ঠানের জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার, প্রোগ্রামার, কটেন্ট রাইটার, ডিজিটাল মার্কেটার সহ বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের জন্য রিক্রুটমেন্ট করতে হতো। এখনও ইন্টারভিউ নিয়ে থাকি রিক্রুট করার জন্য। এদের মধ্যে অনেকের কাছেই শুনি ফ্রীল্যান্সার হতে চাওয়ার ইচ্ছা। পরিচিত যারা আছেন তাদের কাছেও শুনি একই ইচ্ছার কথা। এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়াতে ফ্রীল্যান্সারদের নানান রকম সমস্যার কথা শুনি। কিন্তু সবার কথাগুলো এমন যে –
আমি লক্ষ্য করেছি এসব ধরনের কথাবার্তার মধ্যে বেশ মিল পাওয়া যায় যেমন – কত টাকা ইনকাম করা যায় এইটাই একমাত্র ফ্যাক্টর। কিভাবে শুরু করবে তা জানা নেই, সঠিক গাইডলাইন নেই, কোন কোন কাজ বেশি পাওয়া যায় জানা নেই, ইত্যাদি। যদি একটু গুছিয়ে বলি তাহলে বিষয়গুলো এমন যে –
গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েবসাইট ডিজাইন, মার্কেটিং অ্যান্ড নানা ধরনের ক্যাটেগরিতে রিক্রুট করার সময় আরেকটা ব্যাপার আমি খুব লক্ষ্য করেছি। এদের মধ্যে অনেকেই উপযুক্ত ফ্রীল্যান্সিং শুরু করার জন্য কিন্তু সঠিক মাইন্ডসেট নেই এবং কিভাবে শুরু করবে তা জানেনা। দক্ষতা যতটুক আছে সেটাকে কিভাবে মার্কেটপ্লেস উপযোগী করে টাকা ইনকাম করবে তা জানে না
আমাদের দেশে অনেক অনলাইন ও অফলাইন ট্রেনিং সেন্টার আছে যেগুলা হয়তো গ্রাফিক্স ডিজাইন বা ওয়েব ডেভলপমেন্ট কোর্স করাচ্ছে এবং দিচ্ছে টাকা আয়ের ব্যাপক নিশ্চয়তা। আর এইসব টাকা ইনকামের লোভে পড়েই মানুষ কোন রকম কিছু কোর্স করছে আর ফ্রীল্যান্সিং এর কিছু প্ল্যাটফর্ম বা ওয়েবসাইট নিয়ে গদবাধা অল্প কিছু বিষয় জেনেই শুরু করে দিচ্ছে ফ্রীল্যান্সিং যা কিনা সফল ফ্রীল্যান্সার হওয়ার জন্য মোটেও যথেষ্ট নয়
১৮-২০ কোটি মানুষের এই দেশে অগনিত বেকার, পড়াশুনা শেষ করেও পাচ্ছেনা চাকরি, পড়ছে এক বিষয়ে কিন্তু চাকরি করছে সম্পূর্ণ অন্য ক্যারিয়ারে। তাই ফ্রীল্যান্সিং এর মতো এই উন্মুক্ত গ্লোবাল মার্কেটে নিজেকে তুলে ধরার জন্য দরকার সঠিক দিকনির্দেশনা, সঠিক শুরু এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো - STRONG MINDSET which is ready to push yourself long enough to become a SUCCESSFUL Freelancer.
ঘরে বসে বিদেশী বায়ারদের কাজ করে টাকা ইনকাম করা- এটাকে আমরা ফ্রীল্যান্সিং করা বুঝি। কিন্তু ফ্রীল্যান্সিং বিষয়টাকে এত সহজে সংগায়িত করা গেলেও সঠিক পরিকল্পনার অভাবে অনেকেরই সফল ফ্রীল্যান্সার হবার স্বপ্নটা অধরা থেকে যায়। কারণ একটা গঠনমূলক পরিকল্পনায় না আগালে দিন শেষে শুধু একটা প্রোফাইল থাকবে, কিন্তু ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ারে কোনো সফলতা আসবে না। এবার আসুন আলোচনা করি- ফ্রীল্যান্সার হতে আগ্রহী অনেকের ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে চিন্তাভাবনা।
ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরুর আগেই মনে জেগে ওঠে এত এত প্রশ্ন। শুধু প্রশ্ন না, মনে জেগে ওঠে নানান দুশ্চিন্তা এবং ফ্রীল্যান্সিং না পারার হাজারো কারণ। আসুন, দেখি কিভাবে এই দুশ্চিন্তার থেকে রেহাই দেওয়া যায়-

আপনি সত্যি বলেছেন ফ্রীল্যান্সিং করা এতো সহজ না, কিন্তু কতটা কঠিন? আপনি কিভাবে নিশ্চিত যে আপনি পারবেনই না? ফ্রীল্যান্সিং সহজ না এইটা যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে ফ্রীল্যান্সিং যে রকেট সায়েন্স না এটাও সত্যি। আর এখন রকেট সায়েন্সও মানুষের হাতের মুঠোয়। ইলন মাস্ক তো সেইটা করেই দেখালেন।

যদি আপনার এটাই উপলব্ধি থাকে তাহলে আপনি ভাগ্যবান। কারণ অনেকে এটাই বুঝতে দেরি করে ফেলে যে ভালো কাজ বা দক্ষতার ঘাটতি আছে। তাহলে এখন শুধু দরকার আপনি যা করতে ভালোবাসেন সেইটাতে দক্ষ হওয়া। আপনি ইতিমধ্যেই এগিয়ে গেছেন, শুধু ভালো ভাবে কাজ শিখে পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকতে হবে।

ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে সব ধরণের স্কিলের জন্যই যথেষ্ট কাজের সুযোগ আছে। প্রশ্ন হচ্ছে যে, আপনি কিভাবে নিশ্চিত যে আপনার ফ্রীল্যান্সিং করার স্কিলস নেই? ফ্রীল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে কোর বা বেসিক স্কিলস, সাব-স্কিলস এর জন্যও ভালো সুযোগ আছে। আপনি হয়তো জানেন এ না মার্কেটপ্লেস উপযোগী কোনো দক্ষতা আপনার আছে কিনা। আর তাই এই দক্ষতা সঠিক ভাবে আইডেন্টিফাই করার জন্য লাগবে আপনার " স্কিলস এসেসমেন্ট "।

খুব-ই ভালো প্রশ্ন। এইটার জন্যই প্রথমেই আপনার স্কিলসের ব্যাপারে অবগত হওয়া লাগবে। "স্কিলস এসেসমেন্ট" তাই খুব এ গুরুত্বপূর্ণ এবং কিভাবে স্কিল এক্সারসাইজ করে "স্কিলস এসেসমেন্ট" করবেন সেটা প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সার্স কোর্সের নিনজা টেকনিকের মাধ্যমে সহজেই বের করে ফেলতে পারবেন। ফ্রীল্যান্সিং এর টেকনোলজিক্যাল অবস্থা ২০০৪ সালে যেমন ছিলো এখন আর তেমন নেই। এখন সুযোগ অনেক। আপনি যদি কোনো নির্দিষ্ট একটিও দক্ষতার অধিকারী না হয়ে থাকেন তাও ফ্রীল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মের কাজের ধরণ রিসার্চ করে নিজেই পারবেন নির্ধারণ করে ফেলতে - যে হ্যাঁ, আমাকে এই কাজটাতেই দক্ষতা অর্জন করতে হবে। অর্থাৎ যে ক্যাটাগরির কাজ আপনি ভালোও বাসেন আবার বেশি টাকাও আয়ের সুযোগ আছে।

আপনার আশেপাশের কোনো বন্ধু, চেনা-জানা-পরিচিত, আত্মীয়, কলিগ বা ইউনিভার্সিটির যে কোনো কাউকে ফ্রীল্যান্সিং করে টাকা উপার্জন করতে দেখছেন? তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে-- " অনেক টাকা- টা" আসলে কত টাকা? কেউ যদি বলে থাকে ফ্রীল্যান্সিং করে এক মাসেই বড়োলোক হয়েছে, তাহলে এইটা সম্পূর্ণ মিথ্যা-বানোয়াট-ভিত্তিহীন কথাবার্তা। আসলে যারা এগুলো বলেন বা ভাবেন, ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে তাহলে তাদের সঠিক ধারণাই নেই। এই “অনেক টাকার” একটা সঠিক অংক আপনাকে নির্বাচন করতে হবে এবং সাথে লাগবে ধৈর্য্য সহকারে লেগে থেকে কাজ করে যাওয়া।

চিন্তা করে দেখেন তো ছোট থেকে কোন কাজটা আপনি শিখেছেন যেইটা প্রথম চেষ্টাতেই পেরেছিলেন? সাইকেল চালাতে গিয়ে একবারও কি পড়ে ব্যথা পাননি? সাঁতার কাটতে গিয়ে একবারও পানি খেয়ে ফেলেননি? রান্না করছেন কিন্তু প্রথমের সব রান্নার সাথে এখনকার রান্নার তফাৎ টা একটু দেখেনতো। এমন আরো হাজারো উদহারণ দেয়া যাবে। তাই হেরে যাওয়ার আগে হেরে যাওয়ার মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

এই কথাটা আমি না বললেই নয়। সেই ছোটবেলা থেকে পড়াশোনা শুরু করে আসছি আমরা। এস.এস.সি, এইচ.এস.সি, কলেজ বা ইউনিভার্সিটি সব শেষ করে বেশির ভাগ আমরাই যদি প্রথম চাকরি ২০,০০০ বা ৩০,০০০ টাকা থেকে শুরু করতে পারি তাহলেই খুশি। আর সেখানে আপনি ফ্রীল্যান্সিং করে ঘরে বসে, স্বাধীন ভাবে বেশি টাকা উপার্জন করবেন, তাহলে কেন এটুকু ধৈর্য্য থাকবেনা যে নিজের স্কিলস গুছিয়ে এবং প্ল্যাটফর্মগুলো ভালো ভাবে জেনে শুধু লেগে-পরে থাকবো। মূল কথাটা হচ্ছে ইনস্ট্যান্ট বড়োলোক হওয়াকে ফ্রীল্যান্সিং করা বলে না। আপনি অবশ্যই পারবেন শুধু দরকার সঠিক মাইন্ডসেট এবং পরিকল্পিত ভাবে শুরু করা।

বেসিক ইংলিশ আপনার জানা থাকা লাগবেই। যেহেতু আপনি বিদেশী বায়ারদের সাথে কমিউনিকেশন করবেন তাই কমিউনিকেশন ল্যাঙ্গুয়েজে হিসেবে ইংলিশ আপনাকে ব্যবহার করতেই হবে। এখন কথা হচ্ছে আপনাকে “ ইংলিশের জাহাজ “ হওয়া লাগবেনা কিন্তু ইংলিশ শেখার জন্য আগ্রহ থাকা লাগবে। আপনি ঘরে বসে কাজ করে উপার্জন করবেন তাই নিজের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য যা শেখার দরকার হয় শিখবেন। অবশ্যই সফলতা চাইলে শেখার মানসিকতা রাখতে হবে।

এই যুগে এসেও কি এগুলা ভাবা যায় ? বা চিন্তা করার সময় আছে যে কে কি বললো ? আপনি ফ্রীল্যান্সিং করে আয় করবেন নিজের জন্য, ফ্যামিলির জন্য। এক্ষেত্রে ফ্রীল্যান্সিং একটা স্মার্ট ক্যারিয়ার যেখানে উপার্জনের সুযোগও অনেক। আপনি ফ্রীল্যান্সিং করলে কেউ যদি বাঁকা চোখে দেখে তাহলে ফ্রীল্যান্সিং না করলে কি কেউ সাবাসী দেয়? তাহলে নিজেকে নিজেই উৎসাহিত করে "বিসমিল্লাহ" বলে শুরু করে দেন। আপনার "হার না মানা" পরিশ্রমের জন্য ভালো কোনো ফল আসবেই-আসবে।

অবশ্যই পারবেন। ফ্রীল্যান্সিং এর কাজের মধ্যে অনেক ক্যাটেগরি আছে। মার্কেটপ্লেসে আপনাকে আপনার দক্ষতা অনুযায়ী কাজের ধরণ দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অথবা আপনি সপ্তাহে কত ঘন্টা বা কেমন সময় দিতে পারবেন সেই অনুযায়ী কাজের ক্যাটাগরি সিলেক্ট করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী চাকুরী-ফ্রীল্যান্সিং সমন্বয় করে ফ্রীল্যান্সিং শুরু করতে হবে।
আপনি বিশ্বাস করেন বা না করেন, এইসব প্রশ্নের বা আলোচনার কোনো শেষ নেই। পজিটিভ এবং নেগেটিভ ধারণা অনেক, তর্ক-বিতর্কও অনেক। সবচেয়ে বড়ো বিষয় হচ্ছে – আপনি কি চাচ্ছেন নিজের জন্য? সেইটা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী কিনা?
আমি যদি থেমে যেতাম তাহলে কখনোই কয়েকটা বিজনেস সাকসেসফুল ভাবে চালাতে পারতাম না। ২০০৯ সালে বিজনেসের যাত্রা শুরুর পর থেকে কত যে হোঁচট খেয়েছি তার শেষ নেই। কিন্তু দমে যায়নি কখনো। একের পর এক বাঁধা অতিক্রম করে এখন আলহামদুলিল্লাহ শত শত বিজনেসকে আইটি সার্ভিসেস, মার্কেটিং এন্ড সেলস, বিজনেস কনসাল্টেন্সি এবং গ্রোথ ধরে রাখার জন্য যা দরকার করে যাচ্ছি
প্রশ্নটি করার কারণ হচ্ছে – ফ্রীল্যান্সিং পেশায় জড়িত থাকলে আপনি হয়তো কমবেশি টাকা ইনকাম করবেন। কিন্তু সবথেকে জরুরি যেটা দরকার সেটা হলো একটি সুনির্দিষ্ট গোল এবং Work-Life ব্যালান্স যেটা একটি পরিপূর্ণ পরিকল্পনার মাধ্যমেই সম্ভব। তা না হলে, ফ্রীল্যান্সিং করে কিছুদিন হয়তো টাকা ইনকাম করলেন কিন্তু কখনোই কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে না। আর তাই সফল ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ারের জন্য দরকার সঠিক উপায়ে পরিকল্পনা করে আপনার স্কিলস, সময়, রিসোর্স এবং যা কিছু আছে সব কিছুর সঠিক সমন্বয় ঘটিয়ে প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সার হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা।
এইযে দেখুন- বাংলাদেশে এমন হাজারো তরুণ-তরুণী, পেশাজীবী এবং বিভিন্ন বয়সের নাগরিক আছেন যারা একটা সফল ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ার তৈরী করার পর এখন প্রতিমাসে প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারছে। পাশাপাশি বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকেও এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে তাদের সফল ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ারের মাধ্যমে।
২০২৪ সালের মধ্যেই আমাদের দেশের ফ্রীল্যান্সার্সরা, ফ্রীল্যান্সিং-কে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিশেষ জায়গা করে দিয়েছে। পাশাপাশি খুব শীঘ্রই ফ্রীল্যান্সিং-কে টাইগার অর্থনীতিতে পরিবর্তন করার সম্ভবনাও তৈরী করেছে। এমনকি আমাদের ফ্রীল্যান্সাররা ” গ্লোবাল ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটে ” গুরুত্বপূর্ণ ফ্রীল্যান্সার হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। বৈদেশিক মুদ্রা এনে নিজেকে যেমন সাবলম্বী করেছে, কর্ম সংস্থানের সুযোগ করেছে সেই সাথে দেশের অর্থনীতেও রাখছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
কেন্দ্রীয় অর্থনীতি ও ব্যবসা গবেষণা (সিইবিআর) এর গবেষণায় বলা হয়েছে , বাংলাদেশ বর্তমানে ফ্রীলান্সিং দিক থেকে ২৯তম হলেও ধারণা করা হচ্ছে , ২০৩৭ সালের মধ্যে বর্তমান অবস্থা থেকে বিশ্বের ২০তম স্থানে পৌঁছাবে। ভবিষ্যতে ফ্রীল্যান্সিং ই হবে বাংলদেশের " টাইগার অর্থনীতি "
শিল্প সূত্র অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার উপার্জন করার মতন বাংলাদেশে প্রায় ১,৬০০টি টিম-ভিত্তিক ফ্রীল্যান্সিং প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বাংলাদেশের বেশির ভাগ ফ্রীল্যান্সাররা Upwork.com, Fiverr.com এবং Freelancer.com এ কাজ করে থাকছে। প্রায় ৯৫,৬৫৪ এর বেশি অভিজ্ঞ ফ্রীল্যান্সাররা কাজ করছেন Guru প্ল্যাটফর্ম থেকে।
আমাদের ফ্রীল্যান্সাররা "গ্লোবাল ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটে" গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগী হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। যেখানে প্রায় ৬,৫০,০০০ প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সাররা প্রতিবছরে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বৈদেশিক রেমিট্যান্সে অবদান রাখছে। সব থেকে মজার ব্যাপার হলো, এই টাকা আসছে শুধুমাত্র তালিকাভুক্ত ৬৫০,০০০ ফ্রীল্যান্সার থেকে।
আপনি যদি ফ্রীল্যান্সিংএ একদম নতুন হয়ে থাকেন, অথবা আগে শুরু করেছিলেন কিন্তু কখনও এক্টিভলি ফ্রীলান্সিং করা হয়নি – তাহলে এখন শুধু আপনার দরকার “একটি সুন্দর শুরু”
যুগ বদলাচ্ছে – আয়ের উপায়ও বদলে গেছে – অর্থাৎ নতুন পথ তৈরী হয়েছে। আর এই পথ তৈরী প্রকল্পে ফ্রীল্যান্সিং একটা যুগপোযোগী এবং টেকসই পন্থা
আপনিও ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করতে গিয়ে প্রথমেই যাতে ভুল না করে ফেলেন, ফ্রীল্যান্সিং পেশায় জড়িত থাকলে নিজের জন্য যাতে আরো অনেক বেশি কাজের সুযোগ তৈরী করে আয় বাড়াতে পারেন, এবং প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সার হয়ে সফল ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারেন এটাই “ProductiveFreelancers” কোর্সটির মাধ্যমে আন্তরিক প্রচেষ্টা।
অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে এই "প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সারস" কোর্সটিকে সাজানো হয়েছে যেন "প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সারস" হিসাবে একটা সফল ক্যারিয়ারের রুপরেখা আপনি নিজেই সাজাতে পারেন এবং সেইভাবে শুরু করতে পারেন খুব সহজেই
"প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সারস" কোর্সে ১১+ ঘন্টা ভিডিও এবং ৬+ সেকশনে এমন সব বিষয়ে তুলে ধরা হয়েছে এবং কোর্সটিকে এমনভাবে সাজানো যা ফলো করলে "প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সারস" হিসেবে আপনার আত্মপ্রকাশ ঘটবে
আমাদের দেশের ফ্রীল্যান্সাররা গ্লোবাল ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটে " সফল ভাবে ফ্রীল্যান্সিং করে যাচ্ছে। এমনিই একটা সফল ক্যারিয়ার আপনারও সম্ভব- শুধু দরকার একটি সঠিক নির্ভরযোগ্য গাইডলাইন- যেটা সম্পূর্ণ ভাবে পাচ্ছেন "প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সারস" কোর্স থেকে
ফ্রীল্যান্সিং শুরু করতে দরকার অপ্রতিরুদ্ধ মাইন্ডসেট আর সফলতা আনতে প্রয়োজন বিশ্বস্থ গাইডলাইন যা গড়ে দিবে ফ্রীল্যান্স করার মজবুত ভিত্তি এবং বেড়ে যাবে কাজ পাবার সম্ভাবনা কয়েকগুন- এমনিই একটা পরিকল্পনায় সাজানো হয়েছে "প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সারস" কোর্স
এই কোর্সের মাধ্যমে আপনিও পারবেন বহুল পরিচিত ফ্রীল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে একটি সফল ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে। ঘরে বসে – স্বাধীন ভাবে – নিজের সময় অনুযায়ী – ডলার বা টাকা ইনকাম করার মত সফল ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ার তৈরী করতে দরকার শুধু Accurate Planning এবং Exact Implementation Techniques। আর তাই ১১ ঘণ্টারও বেশি, ৬+ মডিউল, এবং ৫৫+ লেসনস নিয়ে প্রতিটি বিষয় বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে এমনভাবে দেখানো হয়েছে যাতে কোনো বাধা এবং ভয়-ভীতি ছাড়া আপনি সঠিক গাইডলাইনে এবং সহজভাবে ফ্রীল্যান্সিং শুরু করতে পারেন
ফ্রীল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলোর অনেক ক্যাটেগরিতে বিডি ফ্রীল্যান্সার্সদের সংখ্যা অনেক বেশি। কিন্তু যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সফল ফ্রীল্যান্সার্সদের সংখ্যা তুলনামূলক ভাবে অনেক কম। এই সংখ্যাটা অনেক বেশি হওয়া সম্ভব যদি কেউ প্রোডাক্টিভ ভাবে সঠিক পরিকল্পনা অনুযায়ী সফল হওয়ার উদ্দেশ্যেই ফ্রীল্যান্সিং শুরু করে
ঘরে বসেই ফ্রীল্যান্সিং-এ সফল ক্যারিয়ার গড়তে আপনার দরকার শুধু অটুট লক্ষ্য আর বাস্তবমুখী গাইডলাইন সম্বলিত এই কোর্স
কোর্সটিতে Join করার সাথে সাথেই পেয়ে যাবেন মেম্বারশিপ পোর্টালের লগইন এক্সেস এবং শুরু করে দিতে পারবেন ফ্রীল্যান্সিং দুনিয়াতে স্বপ্নের যাত্রা
Tools, Software, Web Links, Guides and many important resources that can help you to become a Productive Freelancer
কোর্সটিতে Join করার সাথে সাথেই আপনি এক্সেস পেয়ে যাবেন প্রাইভেট কমিউনিটিতে। আপনার ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ার বিষয়ক যে কোনো জিজ্ঞাসা বা সমস্যার সমাধানে পাশে পাবেন আরো অনেক নির্ভীক ফ্রীল্যান্সারসদের
Whether you’re planning to launch a Freelancing Career or Business, Wasim Firoz has proven strategies to lead you to success.
“Learn, earn, and live your life to the fullest!”
– Wasim Firoz
কোর্সটিতে Join করতে আপনাকে শুধু “প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সারস” কোর্সের নির্ধারিত মূল্যটা নগদ, বিকাশ বা যে কোনো মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। এরপর আপনার শেয়ার করা ইমেলে পেয়ে যাবেন মেম্বারশিপ পোর্টালের লগইন এক্সেস। এবার আপনি আপনার সুবিধা অনুযায়ী সময় নিয়ে কোর্সটি করতে পারবেন।
“প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সারস” কোর্সটি Join করার সময় আপনার নাম, ইমেল, এবং ফোন নম্বর শেয়ার করে Join করতে হবে। এরপর নির্ধারিত মূল্য পরিশোধের পর পরই আপনার ইমেলে পেয়ে যাবেন মেম্বারশীপ পোর্টালে লগইন এক্সেস। এবার আপনি যে কোনো সময় কোর্সটি করতে পারবেন। বিশেষ করে কোর্সটিতে প্রত্যেকটি সেকশন সুবিন্যস্ত এবং সহজ করে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যাতে যাতে আপনি সময় নিয়ে আপনার সুবিধা অনুযায়ী কোর্সটি শেষ করতে পারেন।
এটি একটি অনলাইন ভিডিও কোর্স কোর্সটিতে Join করার সাথে সাথেই মেম্বারশিপ পোর্টালের লগইন এক্সেস আপনার ইমেলে পেয়ে যাবেন। এরপর আপনার ল্যাপটপ বা পিসি থেকে সুবিধা মত যে কোনো সময়ে আপনি কোর্সটির মডিউল এবং লেসন অনুযায়ী সম্পন্ন করতে পারবেন। খুব সহজেই শুরু করে দিতে পারবেন ফ্রীল্যান্সিং দুনিয়াতে সফল ক্যারিয়ারের যাত্রা।
আপনি মোবাইল দিয়ে কোর্সটি দেখতে পারবেন এবং লগইন করতে পারবেন। আমরা Recommend করবো আপনি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ডেস্কটপ ব্যাবহার করে কোর্সটির ভিডিও লেসন গুলা সম্পন্ন করেন কারণ এখানে আপনাকে প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সার হিসেবে গড়ে তোলার জন্য অনেক কিছুর প্র্যাক্টিকাল ইম্প্লিমেন্টেশন দেখানো হয়েছে।
ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ার তৈরী করতে আপনার বর্তমান যে স্কিলস আছে সেটা মার্কেট উপযোগী করতে এই কোর্সটি আপনাকে বিশেষ ভাবে সাহায্য করবে। ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস উপযোগী স্কিলস নির্বাচন করার জন্য স্কিলস-এসেসমেন্ট পদ্ধতি এবং নির্বাচিত স্কিলস অনুযায়ী বেশি উপার্জন করার পদ্ধতিসমূহ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি আপনার যে স্কিল আছে সেটা কিভাবে কাজে লাগিয়ে ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ার করা যায় এবং অনেক কাজের সুযোগ তৈরী করা যায় সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা আছে এই কোর্সে।
ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ার করতে আপনার পূর্বের কোনো জবের অভিজ্ঞতা লাগবে না। আপনার যে স্কিলই থাকুক বা নির্দিষ্ট কোনো স্কিলস না থাকলেও সঠিক পদ্ধতিতে পরিকল্পনা করে ফ্রীল্যান্সিং শুরু করা যাবে। সেক্ষেত্রে আপনাকে সহায়তা করতে “প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সারস” কোর্সে একটা নির্দিষ্ট সেকশন করা হয়েছে। এই সেকশনে স্কিল এসেসমেন্ট করে আপনার পছন্দ এবং যোগ্যতা অনুযায়ী একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে কাজের দক্ষতা অর্জন করার জন্য পরিপূর্ন গাইডলাইন পাবেন।
ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ারে সফলতা পাওয়ার জন্য এই কোর্সটি আদর্শ গাইডলাইন। আপনি কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং শুরু করবেন, কিভাবে সাফল্যের পরিকল্পনা করবেন, এবং কিভাবে সেই পরিকল্পনা বাস্তবে পরিণত করতে হবে সেসকল কিছুই এই কোর্সে ব্যাখ্যা করা আছে। শুধু তাই নয়, প্রতিটা সেকশন বাস্তব অভিজ্ঞতার আঙ্গিকে খুবই সাবলীলভাৱে সাজানো যে কারণে আপনার প্রতিটা বিষয়ে সহজেই পরিষ্কার ধারণা চলে আসবে। ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একজন সফল ফ্রীল্যান্সার হিসেবে নিজেকে তৈরী করার জন্য ৬+ সেকশন, ৫৫+ ভিডিও, ১১+ ঘন্টা সময় দিয়ে সাজানো পূর্ণাজ্ঞ এবং বাস্তবমুখী গাইডলাইন এই কোর্সের মাধ্যমে পাবেন। এজন্য নির্দ্বিধায় “প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সারস” কোর্সটি একটি আদর্শ গাইডলাইন।
শুধু আপনি নন, বাংলাদেশের, এমনকি বিশ্বের হাজারো মানুষ এখন সফলভাবে ফ্রীল্যান্সিং করে ইনকাম করছে। এজন্য আপনিও পারবেন ফ্রীল্যান্সিং থেকে ইনকাম করতে। যখন আপনি সম্পপূর্ণ কোর্সটি শেষ করবেন আপনি ফ্রীল্যান্সিং বিষয়ে পরিপূর্ণ গাইডলাইন পেয়ে যাচ্ছেন হাতের নাগালে। এরপর আপনার অধ্যাবসায় এবং পর্যাপ্ত পরিশ্রম আপনাকে গড়ে দিবে সফলতার রাস্তা। অর্থাৎ ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ারকে সফল ক্যারিয়ারে রূপান্তর করে সেখান থেকে ইনকাম করা শুরু করতে আপনার যত ধরণের সাহায্য লাগবে সেসবই আপনি পেয়ে যাচ্ছেন “প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সারস” কোর্স থেকে।
কোর্সটির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক ও আন্তরিক প্রচেষ্টা এইটাই যে আপনি যাতে প্রথমেই ভুল না করে সঠিকভাবে ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন, ফ্রীল্যান্সিং এ জড়িত থাকলে নিজের জন্য আরো অনেক বেশি কাজের সুযোগ তৈরী করে আয় বাড়াতে পারেন, প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সার্স হওয়ার মাধ্যমে একটা সফল ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারেন, এমনকি স্কিলস আয়ত্তের পাশাপাশি কিভাবে ক্লায়েন্টের থেকে কাজ নিতে পারেন সেই পথ দেখানো। এমনকি আপনাকে সফলতার শীর্ষে পৌঁছাতে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা এবং সেটা বাস্তবায়নের সকল টেকনিক এই কোর্স আলোচনা করা হয়েছে। এই কোর্সে ১১+ ঘন্টা ভিডিও, ৫৫+ লেসন এবং ৬+ সেকশনে এমন সব বিষয়ে তুলে ধরা হয়েছে এবং কোর্সটিকে এমনভাবে সাজানো যা ফলো করলে আপনি নিজেকে প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সার হিসেবে তৈরী করে সফল ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।
অবশ্যই পাবেন। “প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সারস” কোর্সে আছে ৫৫+ লেকচার যেখানে ফ্রীল্যান্সিং এর A to Z ব্যাখ্যা করা। এছাড়াও প্রতি সপ্তাহে নতুন তথ্য এবং বিস্তারিত আলোচনা নিয়ে আপলোড করা হবে বিভিন্ন ভিডিও লেসন। এমনকি যে কোনো ক্লাস বা কোর্সের বিষয়ে কোনো প্রকার প্রশ্ন থাকলে আপনি সবসময় জানাতে পারবেন। কোর্সটিতে Join করার সাথে সাথেই আপনি এক্সেস পেয়ে যাবেন প্রাইভেট কমিউনিটিতে। আপনার ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ার বিষয়ক যে কোনো জিজ্ঞাসা বা সমস্যার সমাধানে পাশে পাবেন আরো অনেক নির্ভীক ফ্রীল্যান্সাররা।
“প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সারস” কোর্স শেষে আপনি পেয়ে যাচ্ছেন Downloadable Digital Certificate। পাশাপাশি একটা এক্সপার্ট কমিউনিটি পাচ্ছেন যেখানে আপনার ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ার নিয়ে কোনো সুবিধা অসুবিধা হলে জানাতে পারবেন এবং দ্রুত সহযোগিতা পাবেন।
ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ার বিষয়ক আপনার যেকোনো প্রশ্ন আমাদের জানাতে পারেন। আপনার যে কোনো প্রশ্নের জন্য আমাদের ইমেল করুন support@productivefreelancers.com অথবা কোর্সটি Join করার পর প্রাইভেট কমিউনিটিতে জানাতে পারবেন। আমরা খুব দ্রুতই আপনার ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ার বিষয়ক সকল সমস্যার সমাধান দিতে চেষ্টা করবো।
ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ারে সফলতার নিশ্চয়তা!
“প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সারস” শুধুমাত্র একটি কোর্স নয়, এটি আপনার সফল ক্যারিয়ার গড়ার রোডম্যাপ। এই কোর্সে শেখানো প্রতিটি মেথড প্র্যাকটিক্যাল এবং প্রুভেন। তাই নিশ্চিত বলতে পারি, আপনি যদি এই গাইডলাইন অনুযায়ী কাজ করেন, তবে ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ারে সফল হওয়া আপনার জন্য সময়ের ব্যাপার মাত্র।
আমরা আপনার চেষ্টার সঠিক মূল্যায়নে বিশ্বাসী।
“প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সারস” কোনো ভাবেই Facebook, YouTube, Fiverr, Upwork, Freelancer.com, Guru বা কোনো প্রকার Freelancing Platforms এর সাথে Affiliated নয়। “প্রোডাক্টিভ ফ্রীল্যান্সারস” একটি অনলাইন কোর্স যা শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে তৈরি। এটি এমন একটি শিক্ষামূলক কোর্স যেখানে সঠিকভাবে ফ্রীল্যান্সিং করার পথ দেখিয়ে আপনাকে ইনকামের উপযুক্ত করে তোলার জন্য পরিপূর্ণ গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে।
ফ্রীল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে আপনার ইনকাম আপনার নিজের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং আপনার প্রচেষ্টার উপর নির্ভর করবে। আমরা কোনো প্রকারের গ্যারান্টি দিবো না আপনি কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন এবং ফ্রীল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম গুলোতে আপনার কোনো Action-এর জন্য আমরা দায়ী থাকবো না। ফ্রীল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম গুলোর নিজেস্ব কমিউনিটিতে অংশ গ্রহণ করে নিজেকে আপডেটেড রাখার জন্য অনুরোধ করা হলো।